COME TO www.dolchhut.org

১৬ আগস্টঃ কিছু নামে কেটে গেল-তানিয়া চক্রবর্তী

কাচ আর ইটে মাঞ্জা
কাচা কাচা উড়ানে যোগকলা
পশ্চিমে নাশকতা পূর্বে শামিয়ানা
অজস্র উলঙ্গ শিশু অশোক চক্র জানে
অজস্র উলঙ্গ শিশু পতাকা হাতে
চাল ভিক্ষা করতে শেখে ...  

১৯৪৬ সাল ব্রিটেনের “লেবার গভর্ণমেন্ট” দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ক্ষমতা কমে আসায় তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী “ক্লিমেন্ট অ্যাটলির”  সমর্থনে “ব্রিটিশ-ইন্ডিয়া” কে স্বাধীনতা দেওয়ার সিদ্ধান্তে আসে।দেশ স্বাধীন হয় ... খাতা পত্রে ১৯৪৭ সালে ১৫ ই অগাষ্টে (যা আয়তনে, মানচিত্রে, চুক্তিতে কোথায় বিতর্কমুক্ত নয়) ।
CIS (COMMONWEALTH OF INDEPENDENT STATES) ১৯৩১ সালে সংগঠিত হয়, যা প্রারম্ভিকভাবে “ব্রিটিশ কমনওয়েলথ” নামে পরিচিত এবং তখন –এর সদস্য দেশগুলি ছিল “ ইউনাইটেড কিংডম”, “কানাডা”, “সাউথ আফ্রিকা”, “অস্ট্রেলিয়া”, “আয়ারল্যান্ড” ও “নিউফাউন্ডল্যান্ড” । যদিও “কমনওয়েলথ নেশন” –এ ৫৩ টি দেশ ছিল, পরে কিছু অন্তর্ভুক্ত হয় এবং আরো কিছু এর আয়ত্ত থেকে সরেও আসেবর্তমানে যে সমস্ত রাজ্য “কমনওয়েলথ নেশন” –এর মধ্যে পড়ে তা হল ইউরোপের তিনটি, নর্থ আমেরিকার ১২ টি, সাউথ আমেরিকার ১টি,১৮টি আফ্রিকার, ৮টি এশিয়ার, ১১টি ওশিয়ানিয়ার---যার বসবাসকারী মানুষের সংখ্যা হল প্রায় ২.২ বিলিয়ন এর মধ্যে থেকে প্রায় ১.২১ বিলিয়ন মানুষই এশিয়ার ভারতবর্ষ অন্তর্ভুক্ত। এই যে কমনওয়েলথ চুক্তিতে আবদ্ধ দেশ এরা বেশীরভাগই ব্রিটিশ অধিকৃত ছিল, স্বাধীনতার পর এরা এই সদস্যপদ গ্রহণ করে এগুলি প্রায় কলোনিয়াল শাসনের মতো হয়ে আছে...বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক দায় যাতে দেশ উন্নত হতে পারেনি স্বনির্ভর হতে পারেনি তার জন্য কোথায় এই ডেমোক্রিসি,মানবাধিকার সরকার , স্বাধীন ব্যবসারীতি, আইনের নিয়ম ইত্যাদি আরো কিছু দৃশ্যমান চুক্তির আড়ালে দেশ কোথায় যেন পরাধীন...এই সংগঠনের মাধ্যমে কোথায় যেন জাতীয় রাশ কলোনির আকার নিয়ে দড়ি টানাটানির মতো, যাতে স্বকীয়তা  নিঃসন্দেহে খর্ব হয়েছে । আমদানি-রপ্তানি , বিশেষত কূট সাম্প্রদায়িকতা এগুলো কোনোভাবেই কোনো সুস্থ স্বাধীন দেশের বৈশিষ্ট্য নয় ...  
স্বাধীনতা --- সার্বভৌমত্ব , একটা ধারারেখ প্রত্যক্ষ গতি--- যা অসেচনকদের কাছে জলের বাষ্পীভবনের মতো।কোনো রাজনৈতিক সূত্রে আসছি না , আসলে এখন প্রত্যেকটা দিন একমুখী রাসায়নিক বিক্রিয়ার মতো “১৬ ই অগাষ্ট” --- একটা আলেয়ার মতো বিচারহীন হুজুগের সুখ--- অবশ্যই আমরা স্বাধীন । প্রশ্ন হচ্ছে কি রকমের স্বাধীন ! উট যেমন কাটাফলের রক্তকে স্বাদ ভাবে কিম্বা জলের ওপর সান্দ্রতা মেনে নেওয়া মশার মতো নয় তো! জলের তলাটা সম্পর্কে জানি না বলে হুটহাট ডুবুরি ঢুকিয়ে দিচ্ছি ... যেখানে অক্সিজেনের কথা ভাবতে গিয়ে অতলান্ত গভীরতার সঙ্গে নকল স্বাধীনজীবীর মতো বাক্স-প্যাঁটরা সাজাচ্ছি ---কোনো এক জায়গায় কবিতার নাম লিখে ফেলছি “নো ম্যানস ল্যান্ড” --- এটা  পাচকরসের সহজাত ক্রিয়া হয়ে যাচ্ছে অজান্তেই ...অথচ তারা বজায় রেখেছে স্বকীয়তা,ইংরেজিটা তো ব্র্যান্ড হয়েই গেছে । “মানে যার দ্বারা ধর্ষণ হোলো, যাকে জেলের ঘানি টানালাম, তাকেই যদি অন্ধকারের পুরুষকার বলে মেনে নিই” --- ব্যাপারটা সেরকম দাঁড়ায়যারা স্মরণার্থী হতে গিয়ে চোর হয়ে যায় তাদের হুঙ্কার লেপটে গেছে--- ব্যাপারটা খারাপ কিনা বা তা ক্ষতিকারক কি না সেটা আলাদা ও বিতর্কিত বিষয় , উন্নত যাপনই যদি মূল বিষয় হয় তাহলে তা আলাদা--- তবু তা কতটা সার্থক সেটা দায়ের প্রশ্নচিহ্ন! যদি স্বতন্ত্র একক গরিমার বিষয় হয় তবে নির্ধারিতভাবে লুন্ঠিত তা! এই হুজুগটা একই “এরায়” বসে কোলাপসিবল পরধীনতার > স্বাধীনতার অতিপ্রাকৃত ইঙ্গিতের মতো । এখন প্রত্যেকটা দিন “১৬ ই অগাষ্ট” একটা তাড়িত অদূরদর্শী উত্তেজনা... x/2x/3x
দেখে স্বমেহন করা মানুষদের বমিতে ভরে যেন না যায় ঘেরাটোপের পালাজো। আসলে ক্ষতিটা এখানে হচ্ছে যেখানে আমরা  জানিই না আমরা নিজেদের নিয়ে কি করছি কিম্বা কি চাইছি! যার মূলে কীটনাশকের অপক্রিয়া শুরু হয়ে যায় তার মাথায় সার ঢালাটা হাস্যকর! অজান্তে যে “সিকরেট সোসাইটি” –র  খাদ্যশৃঙ্খল তৈরী হয়েছে সেখানে সব কিছু মাইসেলির মতো অন্ত্রের সামনে দাঁড়িয়ে--- আমরাও তাই। একে ওকে খাবলাতে খাবলাতে দল তৈরী হচ্ছে --- ছোঁয়াচে । কোনো প্রধান মন্ত্রক সর্বজনীন হচ্ছে না, ঘরের মধ্যেখানে পাখা চললে মাঝখানে আর ফু-এর প্রয়োজন হয় না কিন্তু কোণে কোণে ময়লারা স্তরীভূত হতে শিখে যায়। হয়ত অনেকে ময়লা অপসারণের কথা ভেবেছেন তাৎক্ষণিক দৃশ্যমান স্বাধীনতায় ...কিন্তু ওই যে গুপ্ত সমাজ যা ফাঁকা মাঠ পেয়ে মেটে গোল দেওয়ার জন্য কেন্দ্রে আসে আর ধারাবাহিকতায় জমে ওঠে পরাধীনতার অদৃশ্য পুরু ময়লা...

1 comment:

Unknown said...

Tania darun likhchis.e rokom aro jhanjh bisista lekha chai.salute